আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজকের পোস্টে আমরা ডোমেইন এবং হোস্টিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
>>ডোমেইনঃ
ডোমেইন বলতে ওয়েবসাইটের নামকে বোঝায়। প্রত্যেক ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস থাকে। আইপি অ্যাড্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট মনে রাখা কষ্টসাধ্য। তাই মনে রাখার সুবিধার জন্য আইপি অ্যাড্রেসের পরিবর্তে ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয়।
>>ডোমেইন এর প্রকারভেদ
বিভিন্ন প্রকারের ডোমেইন আছে। এক্সটেনশনের উপর ভিত্তি করে ডোমেইন চার ধরণের।
1. টপ লেভেল ডোমেইন (.com, .org, .info, .net ইত্যাদি)
2. কান্ট্রি লেভেল ডোমেইন (.bd .in, .us ইত্যাদি)
3. ফ্রি ডোমেইন (.tk, ml, .cf ইত্যাদি)
4. সাব ডোমেইন (tinyone.lritfirm.com, nipro.lritfirm.com, ইত্যাদি)
>>হোস্টিংঃ
হোস্টিং হচ্ছে এমন একটা স্পেস বা জায়গা যেখানে ওয়েবসাইটের মালিকেরা তাদের ওয়েবের কনটেন্ট জমা রাখে। ওয়েবসাইটে যা আপলোড করবেন তা হোস্টিং সার্ভারে জমা থাকবে। কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক যেভাবে কাজ করে, হোস্টিংও ঠিক ঐভাবে কাজ করে।
>>হোস্টিং এর প্রকারভেদ
সুযোগ সুবিধার উপর ভিত্তি করে হোস্টিং কে চার ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যথা –
1. শেয়ারড হোস্টিং
2. ভিপিএস হোস্টিং
3. ডেডিকেটেড হোস্টিং
4. ওয়ার্ডপ্রেস ম্যানেজড হোস্টিং
>>ডোমেইন ও হোস্টিং যেভাবে কাজ করে থাকেঃ
যখন কেউ আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইনটি ব্রাউজারে লিখে ইন্টারনেটে সার্চ করবে তখন ডোমেইন নামটি IP Address এ রূপান্তরিত হয়ে ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির কম্পিউটারে নিয়ে যাবে মূলত যেখানে আপনার ওয়েবসাইটের Content, Images, Videos, এবং বিভিন্ন ফাইলগুলো জমা করে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে জমা করা ফাইলগুলো তৎক্ষণিক ভাবে ভিজিটর বা ইউজারের ব্রাউজারে পাঠানো হয়। তারপর ইউজার সেই ওয়েবসাইট টি দেখতে পান। এভাবেই মুলত ওয়েব হোস্টিং কাজ করে থাকে।
This article is very interesting and informative! The
website is a great source of useful information.